শহরের পিচ ঢালা আঁকাবাঁকা রাস্তায় দৌড়ে চলেছেন তিন শতাধিক প্রতিযোগী। প্রতিযোগীদের মধ্যে রয়েছেন শিশু, কিশোর- কিশোরী ও বৃদ্ধ। সাড়ে ৭ কিলোমিটার রাস্তায় ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা এই মানুষগুলোর সবার লক্ষ্য প্রথম স্থান অধিকার করা।
শুক্রবার ভোর ৭ টাই যশোর শহরের টাউনহল ময়দান থেকে প্রথমবারের মত ‘রান ফর যশোর ১.০’ নামে দৃষ্টিনন্দন এই ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ইয়াভ ফাউন্ডেশন। যশোর জেলাকে অরেঞ্জ সিটি করার জন্য এই আয়োজন। শহরের টাউন হল মাঠ থেকে শুরু করে চাঁচড়া মোড় এলাকা হয়ে পুনরায় টাউনহল মাঠে এসে শেষ হয় এ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা।
ভোর বেলা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ম্যারাথনে অংশ নেওয়া মানুষদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে টাউনহল ময়দানসহ শহরের রাস্তা। ব্যতিক্রমী এই ম্যারাথনের আয়োজকরা বলছেন, যশোর শহরকে অরেঞ্জ সিটি করা ও মানুষদের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য যশোরে প্রথম বারের মত এমন আয়োজন করা হয়েছে।প্রথমবারের মত যশোর জেলা উপভোগ করেছে ‘রান ফর যশোর ১.০’ ম্যারাথন। প্রতিযোগিতা শেষে সেরা ৩ জন, মেয়ে ক্যাটাগরিতে ১জন, বাচ্চা ক্যাটাগরিতে ১ জন ও ৫ জনকে প্রাইজ মানি দেওয়া হয়। এছাড়া ম্যারাথনে অংশ নেওয়া ৩ শতাধিক প্রতিযোগীকে সনদ পত্র ও মেডেল দেওয়া হয়।

উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, ইয়াভ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা এবং আয়োজনের আহবায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু, ভোরের সাথির সভাপতি ডা. আব্দুর রুউফ,ইয়াভ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রোহিত রায় , ম্যারাথন প্রতিযোগীতার যুগ্ম আহবায়ক মোক্তার আলী, নাসিম উদ্দীন খান, , হর্ন মোবাইল কোম্পানির রিজন ম্যানেজার ইফতেখারুল হক শিশির প্রমুখ।
ইয়াভ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রোহিত রায় বলেন, যশোরে প্রথম বার এমন আয়োজন করা হয়েছে। যশোর শহরকে অরেঞ্জ সিটি করার জন্য বিভিন্ন ধরণের সামাজিক কাজ করছে ইয়াভ ফাউন্ডেশন। আমরা চাই প্রতিবছর এমন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হোক।
এদিন, বিকেলে টাউনহল ময়দানের রওশন আলী উন্মুক্ত মঞ্চে কনসার্ট ফর এন্টি ভায়োলেন্স ২.০ অনুষ্ঠিত হয়।




