জান্নাতুল ফেরদৌস :
ভলেন্টিয়ারিং মানে নিজের ভেতরের মানবিকতাকে জাগিয়ে তোলা—এটা সেই নীরব শক্তি, যা সমাজকে ধীরে ধীরে বদলে দেয়। সময় দিলে মানুষ বদলায়, মন দিলে বদলে যায় পুরো পরিবেশ। স্বেচ্ছাসেবীরা কোনো আলোছায়ার মঞ্চে নয়, মানুষের প্রয়োজনের মুহূর্তে দাঁড়িয়ে থাকা অদৃশ্য নায়ক, যাদের ছোট্ট উদ্যোগও বড় পরিবর্তনের পথ খুলে দেয়।
লিসা মনি:
ভলেন্টিয়ারিং মানে নিজের সময়, শ্রম, দক্ষতা আর ভালোবাসা নিঃস্বার্থভাবে মানুষের উপকারে ব্যবহার করা। কোনো প্রত্যাশা নয়, শুধু মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে পৃথিবীকে একটু বেশি সুন্দর করে তোলার ইচ্ছে। ভলেন্টিয়ারিং শেখায় দয়া, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা আর সমাজকে ভালোবাসতে। নিজের সামর্থ্য যতটুকুই হোক তুমি যখন নিঃস্বার্থভাবে কিছু করো তখনই তুমি হয়ে ওঠো পরিবর্তনের অংশ।
উর্মি জাহান:
আমার মন্তব্য ভলেন্টিয়ারিং আমাদের সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার অন্যতম শক্তিশালী উপায়। নিজের সময়, শ্রম ও দক্ষতা অন্যের কল্যাণে ব্যয় করলে শুধু সমাজই উপকৃত হয় না-স্বয়ং নিজেও এক ধরনের মানসিক তৃপ্তি ও উদ্দেশ্যবোধ অনুভব করে। এটি মানুষকে আরও সহানুভূতিশীল, দায়িত্বশীল এবং সংযুক্ত করে তোলে। ভলেন্টিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নতুন অভিজ্ঞতা, সম্পর্ক ও দক্ষতা অর্জন করা যায়, যা ব্যক্তিগত ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তানভীর আহমেদ:
_ বিশ্ব স্বেচ্ছাসেবক দিবস_ নিঃশব্দ রাতে কেউ যখন চোখের জল লুকিয়ে কাঁদে, সেই মুহূর্তে হাত বাড়িয়ে দেয়-অচেনা এক হৃদয়ের মানুষ পাশে দাঁড়ায় বাঁধে। নিজের ক্লান্তি ভুলে তারা হাসি আঁকে অন্যের মুখে, নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় ভরিয়ে দেয় ভাঙা মনের দুঃখে। তাদের স্পর্শে পথহারা মন খুঁজে পায় নতুন ভোর, হাসির জন্য করে যারা নিঃস্বার্থ এই পথ চলা, তাদের স্পর্শেই পৃথিবী পায় নতুন রঙে ভরা ভোলা। স্বেচ্ছাসেবকদের এ ভালোবাসা-পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র গান, তাদের হৃদয়েই মানবতার জন্ম, বেঁচে থাকার প্রথম মানে, প্রথম জান।




