এক নজরে জনাব এম. এ. মুহিত
সংগ্রাম, সাহস, ত্যাগ এবং অটল আদর্শ—এই চারটি শব্দেই এম এ মুহিতের রাজনৈতিক জীবনকে সংজ্ঞায়িত করা যায়।
তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন—তিনি একটি সংগ্রামের নাম, একটি বিশ্বাসের প্রতীক।
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। সেখান থেকেই তিনি ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন নিজের নেতৃত্বের ভিত্তি।
ছাত্ররাজনীতিতে তিনি ছিলেন দৃঢ়, সাহসী এবং সংগঠক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষ। তাঁর যোগ্যতা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। একইসঙ্গে মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
ছাত্ররাজনীতি থেকে যুবরাজনীতিতে পদার্পণ করে তিনি আরও শক্তভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি সদর থানা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের প্রচার সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজেকে একজন ত্যাগী, পরীক্ষিত এবং নির্ভরযোগ্য নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন।
বর্তমানে তিনি মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন—যেখানে তাঁর নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের অনুপ্রাণিত করছে।
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কঠিন সময়ে, স্বৈরাচারী শাসনামলে তিনি ছিলেন নির্যাতনের শিকার। তাঁর ওপর একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে, তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে, এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ১০টির মতো মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুধু তাই নয়—তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেছেন। মৌলভীবাজার জেলা কারাগারসহ বিভিন্ন সময়ে মোট প্রায় ৪ মাস কারাভোগ করতে হয়েছে তাঁকে।
কিন্তু এসব কিছুই তাঁর মনোবল ভাঙতে পারেনি।
বরং প্রতিটি আঘাত, প্রতিটি নির্যাতন তাঁকে আরও দৃঢ় করেছে—আরও সাহসী করেছে।
তিনি কখনোই তাঁর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। আপস করেননি অন্যায়ের সঙ্গে। মাথা নত করেননি কোনো চাপের কাছে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, দেশনেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি নেতাকর্মীদের সংগঠিত করেছেন, সাহস জুগিয়েছেন, এবং রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
দলীয় আনুগত্য, নিষ্ঠা এবং আত্মত্যাগের মাধ্যমে তিনি যুবদল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে একজন নির্ভরযোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাধারণ মানুষ এবং নেতাকর্মীদের কাছে তিনি একজন সৎ, সাহসী এবং আপসহীন নেতা হিসেবে পরিচিত।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সবসময় সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থেকেছেন—মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিয়েছেন।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন সৎ, সাহসী ও আদর্শিক নেতা হিসেবে পরিচিত।
আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। এম এ মুহিতের সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবন, অসীম সাহস এবং সৎ নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পথ দেখাবে।




